Friday, March 6, 2015

bangla story: ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮টি সত্য মেয়েরা জানে না

bangla story: ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮টি সত্য মেয়েরা জানে না: যদি কোন মেয়ের কাছে প্রশ্ন করা হয়, আপনি আপনার মনের মানুষকে কতটা চেনেন? তাহলে অধিকাংশ মেয়েরাই ইতিবাচক উত্তর দিতেই বেশী খুশি হবেন৷কিন্তু আসল...

ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮টি সত্য মেয়েরা জানে না

যদি কোন মেয়ের কাছে প্রশ্ন করা হয়, আপনি আপনার মনের মানুষকে কতটা চেনেন? তাহলে অধিকাংশ মেয়েরাই ইতিবাচক উত্তর দিতেই বেশী খুশি হবেন৷কিন্তু আসলে মেয়েরা, নিজের সঙ্গীকে যতটা জেনে ফেলেছেন মনে করছেন ঠিক ততটা কিন্তু এখনো জানতে পারেন নি মানুষটি সম্পর্কে।
মন খারাপ হলেও এটাই বাস্তব৷সাধারণত প্রায়ই একটি কথার মুখোমুখি হতে হয় আমাদের তাহল মেয়েদের মন বোঝা খুব মুশকিল৷কিন্তু পুরুষের মন বোঝাও কিন্তু খুব সহজ নয়৷অধিকাংশ পুরুষেরা নিজের মনকে একটা শক্ত খোলসের আড়ালে লুকিয়ে রাখেন যেটা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তাই পুরুষকে বোঝা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ঠিক তার উল্টো৷ চলুন দেখে নেওয়া যাক, পুরুষ সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য।



১. ছেলেরা নিজেদের কেমন দেখাচ্ছে তা নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকেন: মেয়েরা ভাবেন ‘কেমন দেখাচ্ছে, কি পোশাক পড়ব’ এগুলো নিয়ে ছেলেরা একেবারেই ভাবেন না। বরং হাতের কাছে যা পান তাই ফেলে। এই ধারনা একেবারেই ভুল। মেয়েদের মতো ছেলেরাও নিজেদের লুকস নিয়ে বেশ চিন্তিত । ছেলেরা মেয়েদের মতো ডায়েট না করলেও নিজেদের বডি নিয়েও এতই চিন্তিত থাকেন যেম রীতি মতো সালমান-হৃত্বিককে ফলো করা শুরু করে।
২. ছেলেরা মানসিক ভাবেই প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে উঠে: সামান্য বিষয় নিয়ে প্রতিযোগী মনোভাব এবং জিততেই হবে এই ধরণের ব্যাপারটি ছেলেদের মধ্যে আপনাআপনিই তৈরি হয়ে যায়। বলা হয়, ছেলেরা জন্মগত ভাবেই প্রতিযোগী ও জেতার মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকেন।
৩. শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণ ছেলেদের মনে ভালোবাসার সৃষ্টি করে না: অনেকেই মনে করেন, ছেলেরা শুধুমাত্র মেয়েদের শারীরিক বিষয়ে আকর্ষণ বোধ করলেই তাকে ভালোবেসে ফেলেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ সাধারণভাবে এবং স্বাভাবিক ছেলেরা কখনই ভালোবাসার জন্য শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণকে প্রাধান্য দেন না। তারা সমঝোতা, তাকে বুঝতে পারা এবং বাস্তবের সাথে মিলিত সকল বিষয় বিবেচনা করে ভালোবাসেন।
৪. ছেলেরা আত্মসম্মানকে ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন: ভালোবাসার মূল্য ছেলেদের কাছে রয়েছে কিন্তু তারা ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন আত্মসম্মানকে। ছেলেরা সবসময়েই নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। তাদের মাপকাঠিতে সম্মান ভালোবাসার চাইতেও উপরে থাকে। এই কারণে অনেক সময় ভুল বুঝাবুঝি হলেও তারা এভাবেই চিন্তা করেন।
৫. ছেলেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন: সাধারণত আমরা জানি, মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ছেলেদের কাছে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে ছেলেরা একেবারেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না। নিজেদের একটু অসহায়ভাবে ছেলেরাও খুঁজে পান। আর তখনই ছেলেরা মেয়েদের কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজে থাকেন। তবে সেটা সাধারণত শারিরীক নয় মানুষিক শক্তি।
৬. ছেলেরা রোমান্স পছন্দ করলেও তারা তা প্রকাশ করতে ভয় পান: ছেলেরা খুব রোম্যান্টিক হয়ে থাকেন। কিন্তু তা সবসময় সঠিক ভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা দ্বিধায় থাকেন ‘যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, কিংবা তিনি যদি কিছু ভুল করে ফেলেন অথবা তাকে নিয়ে যদি সঙ্গী মজা করেন’।
৭. ছেলেরা শোনা কথায় কান দেওয়ার চেয়ে, চোখে দেখায় বিশ্বাসী হয়ে থাকেন: মেয়েরা একটু কথায় বেশি বিশ্বাসী হলেও ছেলেরা এই কাজটি একটু কমই করেন। ছেলেরা নিজের চোখে না দেখা পর্যন্ত কোনো কথা বিশ্বাস করতে চান না। তাই আপনি বলে বলে বিরক্ত না হয়ে তাকে সত্য দেখানোর চেষ্টা করুন, দেখবেন তিনি ঠিকই বিশ্বাস করে নিয়েছেন।
৮. ছেলেরা সবসময়েই নিজের ভালোবাসার মানুষটির সামনে দুর্বল: ছেলেরা উপরে যতোই শক্ত থাকুন না কেন তিনি তার ভালোবাসার মানুষটির সামনে অনেক বেশি দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলেন। হয়তো তিনি চান তার এই দুর্বল দিকটি শুধুমাত্র তার মনের মানুষটিই দেখুন।

হয়ত অনেকেই মনে করতে পারেন আমি একজন ছেলে হিসেবে ছেলেদের পক্ষ্যে বলে গেলাম। কিন্তু এটাই বাস্তবতা, প্রত্যেকটি ছেলেই মুখে বললেও বাস্তবে বুকে হাত রেখে এই কথা গুলি শিখার করবেন। এবং মেয়েরাও যদি একটু গভীরে গিয়ে বিষয়টি চিন্তু করেন তাহলে দেখবেন এই কথা গুলোর মিল খুজে পাবেন।

bangla story: দাড়িওয়ালা সেই মেয়েটির অজানা গল্প

bangla story: দাড়িওয়ালা সেই মেয়েটির অজানা গল্প: ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা জিতে নিয়ে সাড়া জাগিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে ‘ড্র্যাগ কুইন’ কনচিটা ভুয়র্স্ট সংগীত জগতের তারকা। সম্প্রতি আত্মজী...

দাড়িওয়ালা সেই মেয়েটির অজানা গল্প

ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা জিতে নিয়ে সাড়া জাগিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে ‘ড্র্যাগ কুইন’ কনচিটা ভুয়র্স্ট সংগীত জগতের তারকা। সম্প্রতি আত্মজীবনী লিখেছেন দাড়িওয়ালা ‘মেয়েটি’। চলছে নতুন অ্যালবামের কাজ। তাঁকে নিয়েই আজকের আয়োজন।
কনচিটার গল্প
বয়স ২৬। এই বয়সেই সাফল্যের অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন কনচিটা ভুয়র্স্ট, অর্থাৎ টোমাস নয়ভিয়র্ট। হ্যাঁ, গত বছর কনচিটা ভুয়র্স্ট নামে ইউরোভিশন জিতে বিশ্বব্যাপী তারকাখ্যাতি অর্জন করলেও অস্ট্রীয় এই শিল্পীর নাম আসলে টোমাস নয়ভিয়র্ট। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ইউরোভিশন ২০১৪-য় বাজিমাত করেছিলেন দাড়িওয়ালা মেয়ের চরিত্র কনচিটা ভুয়র্স্ট সেজে গান গেয়ে।
সবসময়ই আলাদা…
শৈশব থেকেই সংগীত ভালোবাসেন টোমাস নয়ভিয়র্ট। সমকামী হওয়ায় অস্ট্রিয়ার মতো দেশেও অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ফ্যাশন ডিজাইনিংও টানতো তাঁকে। তাই ১৪ বছর বয়সেই জন্মস্থান গ্মুন্ডেন ছেড়ে চলে যান গ্রাৎস-এ, শুরু করেন ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে পড়াশোনা।



তারকা হওয়ার পথে প্রথম পা
সংগীত চর্চা কিন্তু কখনো থামেনি। এক সময় তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে একটা ব্যান্ড গড়লেন। ব্যান্ডের নাম দিলেন ‘ইয়েৎস্ট আন্ডার্স’। নামের অর্থ ‘এখন অন্যরকম’। এই ব্যান্ড ২০০৬ সালে অস্ট্রিয়ার বেশ বড় একটা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল। তবে ব্যান্ডের নাম ‘এখন অন্যরকম’ হলেও টোমাস নয়ভিয়র্ট গড়পড়তা মানুষের চেয়ে কত অন্যরকম, আর দশটা মানুষের তুলনায় কত বেশি প্রতিভাবান তা বুঝতে আরো সময় লেগেছে।

কনচিটার জন্ম
ফ্যাশন স্কুলের লেখাপড়া শেষ হতেই শুরু হলো ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা। মাথায় আসে কাল্পনিক চরিত্র কনচিটা ভুয়র্স্ট। তাঁর লম্বা চুল, মেয়েলি চেহারা আর সেই সঙ্গে মুখভরা দাড়ি! এভাবে ড্র্যাগ কুইন সেজে সংগীত শিল্পী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করলেন টোমাস নয়ভিয়র্ট। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
ফিনিক্স পাখির মতো….
২০১৪ সালের ইউরোভিশন সং কনটেস্টে অস্ট্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন কনচিটা ভুয়র্স্ট। ডেনমার্কের রাজধানী হয়ে সারা ইউরোপ কাঁপিয়ে দিলেন ‘রাইজ লাইক আ ফিনিক্স’ গানটা গেয়ে। জিতে গেলেন ইউরোভিশন। সত্যিই পুরানের ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান, কী বলেন?
মহাব্যস্ততা…
ইউরোভিশন জয়ের পর থেকে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটছে কনচিটার। একটা কনসার্ট শেষ হলেই আসে আরেকটার ডাক। প্যারিসের বিখ্যাত ‘ক্রেজি হর্স ক্যাবারে’-তে (ওপরের ছবি) পারফর্ম করেছেন। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টেও ডাক পড়েছিল তাঁর। সেখানে অবশ্য গান শোনাননি, সবাইকে যৌন সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন।

আসছে নতুন অ্যালবাম
টোমাস নয়ভিয়র্টের কনচিটা ভুয়র্স্ট হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে ১২৮ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীটা ইতিমধ্যে বাজারে এসেছে। শিগগিরই প্রকাশ করা হবে তাঁর নতুন গান ‘ইউ আর আনস্টপেবল’। পাশাপাশি চলছে নতুন অ্যালবামের কাজ। এছাড়া কনসার্ট তো চলছেই। এ বছর জার্মানিতেও আসবেন কনচিটা ভুয়র্স্ট।-ডয়েচ ভেল।

Thursday, March 5, 2015

bangla story: সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি-তামিম যা বললেন

bangla story: সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি-তামিম যা বললেন: তামিম-মুশফিক-সাকিবের ব্যাটিং নৈপুণ্যে নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে স্কটল্যান্ডকে ছয় উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। এই কারণে বাংলাদেশের চোখ এখন কোয়ার্...

সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি-তামিম যা বললেন

তামিম-মুশফিক-সাকিবের ব্যাটিং নৈপুণ্যে নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে স্কটল্যান্ডকে ছয় উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। এই কারণে বাংলাদেশের চোখ এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। 

ম্যাচ শেষে পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তামিম ইকবাল বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আজকের ম্যাচের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।



ব্যাটিংয়ে নামার আগে বাংলাদেশের লক্ষ্য সম্পর্কে তামিম বলেন, ‘আমরা ব্যাটিংয়ে নামার অাগে টিম মিটিং করেছি। কোচ আমাদের বলেছিলেন সাবলীল ব্যাটিং করতে। 

বড় লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে কোনো আক্রমণাত্মক কৌশল আমাদের ছিল না। টস জিতে প্রথমে যেভাবে ব্যাট করতে হয় ঠিক সেভাবেই করেছি। কোনো ধরণের বাড়তি চাপ আমাদের মাঝে ছিল না।’

নেলসনে না হয়ে যদি মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি হতো তাহলে স্কটিশরা কোনোভাবেই তিনশ রান করতে পারত না। এক প্রশ্নের জবাবে এমনটিও বলেছিলেন তামিম।

পরে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বলেন, ‘আমরা পেরেছি। উইকেটটি ব্যাটিং সহায়ক ছিল। স্পিন বোলিংয়ে নাসির ও সাকিব ভালো করেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর আমারা দারুণভাবে ফিরে এসেছি।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে বাড়তি স্পিনার নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘আমরা আগে অ্যাডিলেডের উইকেটটি দেখতে চাই। তার পরেই সিদ্ধান্ত হবে তাইজুল ইসলাম বা আরাফাত সানির মধ্যে কাউকে নেয়া হবে কিনা। এ মুহূর্তে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।’

দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স ও বড় লক্ষ্যে জয় পাওয়া প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, ‘বড় টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে অামরা সহজ জয় পেয়েছি। পুরো কৃতিত্বই ব্যাটসম্যানদের। 

আমার মতে, বড় লক্ষ্যে এটিই আমাদের সেরা জয়। কয়েক বছর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও তিনশ রান তাড়া করে আমরা জিতেছিলাম। তবে বিশ্বকাপ বলেই স্কটিশদের বিপক্ষে জয়টি আমার কাছে সেরা জয়।’

bangla story: মনোভাব ইতিবাচক, 'নড়ছেন' দুই নেত্রী!

bangla story: মনোভাব ইতিবাচক, 'নড়ছেন' দুই নেত্রী!: বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের দুই নেত্রীর মনোভাবে ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিজ নিজ অটল অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছে...

মনোভাব ইতিবাচক, 'নড়ছেন' দুই নেত্রী!

বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের দুই নেত্রীর মনোভাবে ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিজ নিজ অটল অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছেন দুই নেত্রী। এক চুল করে হলেও যার যার অবস্থান থেকে নড়েছেন তারা। আশাবাদীরা বলছেন, এটা তাদেরকে যার যার অবস্থানে জয়ীই করবে।

এসব অভিমত দুই নেত্রীর শুভাকাঙ্ক্ষীদেরও। তারা বলছেন, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা কমাতে এমন পরিবর্তনই কাম্য। বুধবার (৪ মার্চ) দুই পক্ষের আচরণেই কিছু আশা জাগ্রত হয়েছে তাদের মধ্যে।
 
শেখ হাসিনার ভক্তরা সব কৃতিত্ব তাকেই দিচ্ছেন। তাদের মতে, চলমান হরতাল-অবরোধে জনজীবনের ভোগান্তি সইতে পারছেন না শেখ হাসিনা। যদিও হরতালের কোন লক্ষণ নেই রাজপথে, তবু সহিংসতায় ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ মানুষের। সার্বিকভাবে দেশের যে কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায় না থাকলেও দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়। আর সে কারণেই নমনীয় থেকে খালেদা জিয়াকে বারবার সুযোগ দিচ্ছেন। তবে বুধবার থেকে খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকেও একটা স্বাভাবিক অবস্থার আভাস মিলছে। 
 
এক্ষেত্রে কূটনীতিকদের অবদানকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, ১৬ দেশের কূটনীতিকের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফল এটি। সরকার পক্ষ ও বিএনপি’র মধ্যে মধ্যস্থতা করছেন তারা।
 
বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসাতে না পারলেও দুই পক্ষের মনোভাব পরস্পরের কাছে ইতিবাচকভাবে পৌঁছে দিচ্ছেন কূটনীতিকরা। আর তাতেই পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, কিছুটা সুবাতাস বইছে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে।
 
বিশেষ করে, মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের বিষয়টিতে কাজ হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট একাধিক প্রস্তাব নিয়ে তারা সেখানে গেছেন।
 
এর আগে সরকার পক্ষকেও এ কূটনীতিকরা অনুরোধ করেছেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে। এভাবেই ত্রি-মূখী অবদানে সুফল আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।
 
৪ মার্চ আদালতে খালেদার আত্মসমর্পণের কথা, তা নিয়ে টানা কয়েকদিন নানা জল্পনা-কল্পনা-উত্তেজনা চলছিল। কারন তার ওপর রয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, রয়েছে তার কার্যালয়ে তল্লাশির নির্দেশও।
 
সেই টান টান উত্তেজনার মাঝেই বিএনপি থেকে জানানো হয়, আত্মসমর্পণ নয়, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর চেহলাম পালন করবেন খালেদা।
 
শেষ পর্যন্ত হলও তাই। আর এ বিষয়টি মেনে নিলো সরকারও। কোন প্রকার কঠোরতার ধার দিয়ে গেল না প্রশাসন। খালেদার অপেক্ষায় আদালতে বিকেল পর্যন্ত ছিলেন বাদী প্রক্ষের আইনজীবীরা। কিন্তু চেহলামে ব্যস্ত রইলেন খালেদা, আদালতে গেলেন না।
 
মিডিয়ার আগ্রহ তবুও ছিল গুলশান ঘিরে। বিশেষ করে রাতে একটা কিছু হতে পারে- ভেবেই সেখানে জড়ো ছিলেন সংবাদকর্মীরা।
 গুঞ্জন ছিল- খালেদাকে গ্রেপ্তার করা না হলেও তল্লাশিতে গিয়ে খালেদার সঙ্গে অন্য অবস্থানকারীদের বের করে দেবে পুলিশ।
 
কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। জাতির মনোযোগ ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায়।
 
বিকেলে সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন তিনি। ‘কেন খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না’- এমন এক প্রশ্নের জবাবে কৌশলী শেখ হাসিনার উত্তরের সারমর্ম ছিল- ‘খালেদা জিয়া জনরোষ থেকে বাঁচতে কারাগারকেই নিরাপদ মনে করছেন।’
 
সুনির্দিষ্ট কারন বা দিনক্ষণ উল্লেখ করলেন না অভিজ্ঞ প্রধানমন্ত্রী। কন্ঠস্বরেও কিছুটা পরিবর্তন পেলেন কেউ কেউ। খালেদা জিয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে আগ্রহীরাও হতাশার মাঝে আশা পেলেন।
 
কারন গুলশান কার্যালয়ে তিনি অবস্থান করছেন দুই মাসেরও বেশিদিন (০৩ জানুয়ারি থেকে) ধরে। এই সময়টিতে তার রাজনীতি বিজ্ঞপ্তি নির্ভর হয়ে পড়ে।
 
বুধবারও এসেছে বিজ্ঞপ্তি, তবে সেটি যুগ্ম-মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষর নিয়ে। খোদ খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য আসেনি। পরে অপর বিজ্ঞপ্তিতে চেহলাম অনুষ্ঠানের মোনাজাতের ছবি পাঠানো হয়।
 
এটাকেই প্রতিক্রিয়া বলে ধরে নিলেন কেউ কেউ, যেন খালেদা বোঝালেন- হরতাল-অবরোধ বা সরকারকে আঘাত করায় নয়, তার মনোযোগ এখন ছেলের চেহলামে।
 
এভাবেই দু’য়ে দু’য়ে চার মিলিয়ে আনন্দিত হচ্ছেন অনেকে। ভাবছেন, দুই পক্ষই সামনে হয়তো আরও সহনশীলতা ও নমনীয়তার পরিচয় দেবেন, জনগণের জন্য কোন সুখবর আসছে। এর মধ্যে ভিন্ন আলোচনায়ও কেউ কেউ প্রমাণ করতে চাইছেন- খালেদার প্রতি সরকার নমনীয়।
 
খালেদার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় পৌঁছেনি- বলে দাবি করা হচ্ছে। এই দাবি থেকে প্রমাণ হয়, সরকারই আসলে খালেদাকে গ্রেপ্তারে আগ্রহী নয়, বরং এটি তাকে শাসনের কৌশল।
 
এভাবেই মঙ্গল ও বুধবারের সামগ্রিক চিত্রে আশার সঞ্চার হচ্ছে জনমনে। 
 
এসব প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, সরকারি দলের এক সিনিয়র নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘যা হবে, জনগণ দেখবে। এখানে নতুন কি? আমরা সবসময়ই দেশের স্বার্থে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছি। আদালত, প্রশাসন, সরকার- সবই মানুষের জন্য। মিলেমিশেই কাজ করবে- এটাই স্বাভাবিক। এটিকে কোনভাবেই নেতিবাচকভাবে চিন্তা করা ঠিক না।’
 
এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, রাজনীতিতে প্রতিদিনই নতুন কিছু হয়, আবার কোনকিছুই নতুন বা শেষ নয়। বিএনপি বলুন, আর আওয়ামী লীগ বলুন, মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে পুরোপুরি অস্বীকার করে কেউ রাজনীতি করে না।’
 
তিনি বলেন, মানুষ শান্তি চায়, বিএনপি জনগণের শান্তি ও স্বস্তির জন্য কাজ করেছে সব সময়। সরকারের চাওয়াও যদি একই হয়, তাহলেতো কোন সমস্যাই থাকে না।
 
একই প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, সহিংসতায়ে বিএনপি কোনকালেই বিশ্বাস করেনি। সহিংসতা বিএনপি করছে না। তাই ‘সহিংসতা বন্ধ করলে এমনটি হবে-তেমনটি হবে’- বলে লাভ নেই।
 
‘তবে কর্মসূচি তুলে নিতে বললে কর্মসূচির পেছনের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার বিনীত অনুরোধই করবো আমরা। কারণ আমরা এখনো বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগের মতো পুরনো একটি দল জনগণের আশাকে মূল্যায়ণ করবে’– যোগ করেন এই নেতা।

bangla story: বারবার কম্পিউটার রিস্টার্ট হলে যা করবেন

bangla story: বারবার কম্পিউটার রিস্টার্ট হলে যা করবেন: মাঝে মাঝে আপনার কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হয়ে যায়। ডিসপ্লে আসতে বিঘ্ন ঘটায় কিংবা ডিসপ্লে অন করতে দেয় না।  এই সমস্যাটির সঙ্গে আমরা প্রায় সক...

বারবার কম্পিউটার রিস্টার্ট হলে যা করবেন

মাঝে মাঝে আপনার কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হয়ে যায়। ডিসপ্লে আসতে বিঘ্ন ঘটায় কিংবা ডিসপ্লে অন করতে দেয় না। 

এই সমস্যাটির সঙ্গে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। এ রকম হলে যা আমাদের করতে হবে; প্রথমে দেখতে হবে যে র‌্যাম শ্লটটি তে র‌্যাম ঠিক ভাবে আছে কিনা?

যদি সেটিও ঠিক থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটি ভাইরাস এর কারণে হয়েছে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন ফাইল কপি করি মূলত সেই সকল ফাইল থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে যায় কম্পিটারে। 

এই জন্য একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাস ইন্সটল করতে হবে। তারপর অ্যান্টি-ভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভটি স্ক্যান করে নিতে হবে। যদি অ্যান্টি-ভাইরাসটিও ইন্সটল না করতে দেয় তাহলে কম্পিউটারটিতে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম দিতে হবে। এরপর দেখবেন আপনার কম্পিউটারটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে।

bangla story: যে দ্বীপে মানুষের থেকে বিড়ালের সংখ্যা বেশি

bangla story: যে দ্বীপে মানুষের থেকে বিড়ালের সংখ্যা বেশি: মানুষ নয়, বিড়ালই সেখানে রাজা। তারাই রাজত্ব করছে, তারাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সেদেশে ৬টি বিড়াল পিছু একজন মানুষ। অর্থাৎ সেখানে মানুষের মোট সংখ্যা ...

যে দ্বীপে মানুষের থেকে বিড়ালের সংখ্যা বেশি

মানুষ নয়, বিড়ালই সেখানে রাজা। তারাই রাজত্ব করছে, তারাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সেদেশে ৬টি বিড়াল পিছু একজন মানুষ।

অর্থাৎ সেখানে মানুষের মোট সংখ্যা ২২ আর বিড়াল প্রায় ১২০। দক্ষিণ জাপানের এক প্রত্যেন্ত দ্বীপের চিত্র এটা।
গল্পটা শুরু হয় বেশ কয়েকবছর আগে। জাপানের একটি দ্বীপ আওশিমা। ওই দ্বীপে মৎস্যজীবীদের নৌকার উপর অত্যাচার চালাত কিছু ইঁদুর।

তাদের শায়েস্তা করতেই দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এই বিড়ালদের। ইঁদুর তো দূর করেই ছেড়েছে। পাশাপাশি, সেখানেই ঘাঁটি গেড়ে বসেছে তারা। ১২০টি বিড়াল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, আর সঙ্গী গুটিকয়েক মানুষ। বেশরভাগই কাজ থেকে অবসরপ্রাপ্ত।

এছাড়া দ্বীপের অন্যান্য মানুষ কাজের সন্ধানে দ্বীপের বাইরে। ১৯৪৫ সালে এই দ্বীপে মানুষের সংখ্যা ছিল ৯০০। এখন বেশির ভাগ মানুষ নৌকায় চেপে 'ক্যাট আইল্যান্ড' পরিদর্শনে যায়। এই দ্বীপে না আছে খাবারের দোকান, না আছে গাড়ি। কিন্তু তবুও বিড়ালপ্রেমীরা একবার ঘুরে আসে এখানে।

এখানকার বিড়ালদের চাহিদাও খুবই কম। পর্যটকরাই তাদের নানারকম খাবার দিয়ে থাকে। তাতেই তারা খুশি।



bangla story: রাজার কবর খুঁড়ে রহস্যময়ী নারীর সন্ধান!

bangla story: রাজার কবর খুঁড়ে রহস্যময়ী নারীর সন্ধান!: ইংল্যান্ডের তৃতীয় রাজা রিচার্ডের কবর খুঁড়ে তার পাশেই প্রত্নতত্ত্ববিদরা এক নারীর কবর খুঁজে পেয়েছেন। এ ঘটনায় অবাক না হওয়ার কিছু নেই। রাজার ক...

রাজার কবর খুঁড়ে রহস্যময়ী নারীর সন্ধান!

ইংল্যান্ডের তৃতীয় রাজা রিচার্ডের কবর খুঁড়ে তার পাশেই প্রত্নতত্ত্ববিদরা এক নারীর কবর খুঁজে পেয়েছেন। এ ঘটনায় অবাক না হওয়ার কিছু নেই। রাজার কবরের পাশে কিভাবে এবং কারা দিল এই কবর? আর এই নারীই বা কে এ প্রশ্ন তো থেকেই যায়।

পরে হাড়গোড় পরীক্ষা করে দেখা গেছে কবরে যিনি শায়িত ছিলেন তিনি একজন বয়স্ক নারী। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের কোনো এক সময় তাকে কবর দেয়া হয়েছে।
 
গবেষকদের ধারনা, এই নারী ছিলেন উচ্চ মর্যাদার কেউ। কিন্তু রাজার বংশ পরিচয় বিশ্লেষণ করে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। কারণ রাজা তৃতীয় রিচার্ড ১৪৮৩ সাল থেকে ১৪৮৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড শাসন করেছেন। তাকে গ্রে ফ্রায়ার্স আশ্রমে তড়িঘড়ি করে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। 

১৬শ' শতাব্দীতে আশ্রমটি ধ্বংস করা হয়। পরে সেটি কালের গহ্বরে হারিয়ে যায়। ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি অব লিচেস্টারের গবেষকরা এটির অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর একটি পার্কিং স্থানের নিচে খুঁড়ে রাজার কবর এবং আশ্রমটির আরো মূল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায়। তবে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ওই নারীর কবরটি।


bangla story: এনামুলের বিশ্বকাপ শেষ, সুযোগ পেলেন ইমরুল কায়েস

bangla story: এনামুলের বিশ্বকাপ শেষ, সুযোগ পেলেন ইমরুল কায়েস: স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়েছেন এনামুল হক। আর সেই কারণে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলো তার। নিউজিল্যান্ড থেকে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ...

এনামুলের বিশ্বকাপ শেষ, সুযোগ পেলেন ইমরুল কায়েস

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়েছেন এনামুল হক। আর সেই কারণে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলো তার। নিউজিল্যান্ড থেকে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আর তার জায়গায় আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসকে অস্ট্রেলিয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজ রাতেই অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন ইমরুল।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচের তখন ৩১তম ওভার চলছে। কোয়েতজারের তাণ্ডব চলছে। এই সময় একটি বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে কাঁধে খুব ব্যথা পান এনামুল। মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এরপর স্ক্যান করার জন্য কাছের হাসপাতালে নেওয়া হয় এনামুলকে। সেখান থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে খুব সহসাই ম্যাচে ফিরতে পারছেন না এই ওপেনার। এনামুল আগের দুই ম্যাচে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৯ করে রান করেছেন।
তার জায়গায় দলে ঢোকা ইমরুল এবারের জাতীয় লিগে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। এখন পর্যন্ত ৫৩ ওয়ানডে খেলে ২৬.৭৩ গড়ে ইমরুলের রান ১৩৯০। একটি সেঞ্চুরি আছে তার। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ইমরুল। 

bangla story: বিনা ভিসায় বাংলাদেশীরা ঘুরতে পারেন যেসব দেশে

bangla story: বিনা ভিসায় বাংলাদেশীরা ঘুরতে পারেন যেসব দেশে: একটা সময় ছিল যখন ঈদের ছুটি মানেই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানো বা ঘোরাঘুরি। যুগ পাল্টেছে। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ঈদের...

বিনা ভিসায় বাংলাদেশীরা ঘুরতে পারেন যেসব দেশে

একটা সময় ছিল যখন ঈদের ছুটি মানেই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানো বা ঘোরাঘুরি। যুগ পাল্টেছে। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ঈদের ছুটি কাটাতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। যারা বিনা ভিসায় দেশের বাইরে ছুটি কাটাতে চান তাদের জন্য একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ তালিকায় রয়েছে সেসব দেশের নাম ও দরকারী তথ্য যেখানে বিনা ভিসা বা অন অ্যারাইভেলে যাওয়া যায়।
ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:
• এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
• শ্রীলংকা (৩০ দিন) আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)
• মালাউই (৯০ দিন)
• সেশেল (১ মাস)
• আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)
• হাইতি (৩ মাস)
• গ্রানাডা (৩ মাস)
• সেন্ট কিট্স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
• সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
• টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
• মন্টসের্রাট (৩ মাস)
• ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)
• ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)
• কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
• নাউরু (৩০ দিন)
• পালাউ (৩০ দিন)
• সামোয়া (৬০ দিন)
• টুভালু (১ মাস)
• নুউ (৩০ দিন)
• ভানুয়াটু (৩০ দিন)
• মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।
এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:
• এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)
• জর্জিয়া (৩ মাস)
• লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
• মালদ্বীপ(৩০ দিন)
• মাকাউ (৩০ দিন)
• নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
• সিরিয়া (১৫ দিন)
• পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
• আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)
• মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
• মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
• টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
• উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

bangla story: অনন্য এক রেকর্ডের অধিকারী হলেন সৌম্য সরকার!

bangla story: অনন্য এক রেকর্ডের অধিকারী হলেন সৌম্য সরকার!: শুধুমাত্র ব্যাটিং কিংবা বোলিং করে রেকর্ড বুকে ঠাঁই পাওয়া যায়, এমন চিন্তা করাটা ভুল। ভালো ফিল্ডিং করেও রেকর্ড বুকে জায়গা পাওয়া যায়। ঠিক ত...

অনন্য এক রেকর্ডের অধিকারী হলেন সৌম্য সরকার!

শুধুমাত্র ব্যাটিং কিংবা বোলিং করে রেকর্ড বুকে ঠাঁই পাওয়া যায়, এমন চিন্তা করাটা ভুল। ভালো ফিল্ডিং করেও রেকর্ড বুকে জায়গা পাওয়া যায়।
ঠিক তেমনই এক দৃষ্টান্ত দেখালেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বোলিং করেননি সৌম্য। ব্যাট হাতেও রান পাননি। মাত্র ২ রান করেন তিনি। কিন্তু ফিল্ডিং দিয়ে সবার নজর কাড়লেন সৌম্য।
স্কটল্যান্ডের ইনিংসের চারটি ক্যাচ ধরেন সৌম্য সরকার। যা বিশ্বকাপে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরার রেকর্ড। সৌম্যর সঙ্গে এই তালিকাতে রয়েছেন ভারতের মোহাম্মদ কাইফ। ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের চারটি ক্যাচ নেন কাইফ। অবশ্য সেটি ছিল দ্বিতীয় ইনিংসে। আর সৌম্য সরকার ক্যাচগুলো নেন প্রথম ইনিংসে।
ইনিংসের দশম ওভারে হাসিম গার্ডিনার ক্যাচ কভারে লুফে নেন সৌম্য। এরপর স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক প্রিসটন মোমেনসনের ক্যাচ নেন ডিপ মিড উইকেটে। স্কটিশ অধিনায়কের ক্যাচ তালুবন্দি করার পর স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কাইল কোয়েটজার ক্যাচও নেন মিড উইকেটে। মাজিদ হকের ক্যাচ দিয়ে সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরার তালিকায় নাম উঠান সৌম্য। স্কয়ার লেগ থেকে দৌড়ে এসে ড্রাইভ দিয়ে মাজিদ হকের ক্যাচটি নেন বাংলাদেশের নতুন এই সেনসেশন।