ইংল্যান্ডের তৃতীয় রাজা রিচার্ডের কবর খুঁড়ে তার পাশেই প্রত্নতত্ত্ববিদরা এক নারীর কবর খুঁজে পেয়েছেন। এ ঘটনায় অবাক না হওয়ার কিছু নেই। রাজার কবরের পাশে কিভাবে এবং কারা দিল এই কবর? আর এই নারীই বা কে এ প্রশ্ন তো থেকেই যায়।
পরে হাড়গোড় পরীক্ষা করে দেখা গেছে কবরে যিনি শায়িত ছিলেন তিনি একজন বয়স্ক নারী। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের কোনো এক সময় তাকে কবর দেয়া হয়েছে।
গবেষকদের ধারনা, এই নারী ছিলেন উচ্চ মর্যাদার কেউ। কিন্তু রাজার বংশ পরিচয় বিশ্লেষণ করে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। কারণ রাজা তৃতীয় রিচার্ড ১৪৮৩ সাল থেকে ১৪৮৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড শাসন করেছেন। তাকে গ্রে ফ্রায়ার্স আশ্রমে তড়িঘড়ি করে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
১৬শ' শতাব্দীতে আশ্রমটি ধ্বংস করা হয়। পরে সেটি কালের গহ্বরে হারিয়ে যায়। ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি অব লিচেস্টারের গবেষকরা এটির অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর একটি পার্কিং স্থানের নিচে খুঁড়ে রাজার কবর এবং আশ্রমটির আরো মূল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায়। তবে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ওই নারীর কবরটি।
পরে হাড়গোড় পরীক্ষা করে দেখা গেছে কবরে যিনি শায়িত ছিলেন তিনি একজন বয়স্ক নারী। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের কোনো এক সময় তাকে কবর দেয়া হয়েছে।
গবেষকদের ধারনা, এই নারী ছিলেন উচ্চ মর্যাদার কেউ। কিন্তু রাজার বংশ পরিচয় বিশ্লেষণ করে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। কারণ রাজা তৃতীয় রিচার্ড ১৪৮৩ সাল থেকে ১৪৮৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড শাসন করেছেন। তাকে গ্রে ফ্রায়ার্স আশ্রমে তড়িঘড়ি করে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
১৬শ' শতাব্দীতে আশ্রমটি ধ্বংস করা হয়। পরে সেটি কালের গহ্বরে হারিয়ে যায়। ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি অব লিচেস্টারের গবেষকরা এটির অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর একটি পার্কিং স্থানের নিচে খুঁড়ে রাজার কবর এবং আশ্রমটির আরো মূল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায়। তবে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ওই নারীর কবরটি।

very nice...?
ReplyDelete