Showing posts with label 200. Show all posts
Showing posts with label 200. Show all posts

Friday, March 6, 2015

ছেলেদের সম্পর্কে যে ৮টি সত্য মেয়েরা জানে না

যদি কোন মেয়ের কাছে প্রশ্ন করা হয়, আপনি আপনার মনের মানুষকে কতটা চেনেন? তাহলে অধিকাংশ মেয়েরাই ইতিবাচক উত্তর দিতেই বেশী খুশি হবেন৷কিন্তু আসলে মেয়েরা, নিজের সঙ্গীকে যতটা জেনে ফেলেছেন মনে করছেন ঠিক ততটা কিন্তু এখনো জানতে পারেন নি মানুষটি সম্পর্কে।
মন খারাপ হলেও এটাই বাস্তব৷সাধারণত প্রায়ই একটি কথার মুখোমুখি হতে হয় আমাদের তাহল মেয়েদের মন বোঝা খুব মুশকিল৷কিন্তু পুরুষের মন বোঝাও কিন্তু খুব সহজ নয়৷অধিকাংশ পুরুষেরা নিজের মনকে একটা শক্ত খোলসের আড়ালে লুকিয়ে রাখেন যেটা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তাই পুরুষকে বোঝা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ঠিক তার উল্টো৷ চলুন দেখে নেওয়া যাক, পুরুষ সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য।



১. ছেলেরা নিজেদের কেমন দেখাচ্ছে তা নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকেন: মেয়েরা ভাবেন ‘কেমন দেখাচ্ছে, কি পোশাক পড়ব’ এগুলো নিয়ে ছেলেরা একেবারেই ভাবেন না। বরং হাতের কাছে যা পান তাই ফেলে। এই ধারনা একেবারেই ভুল। মেয়েদের মতো ছেলেরাও নিজেদের লুকস নিয়ে বেশ চিন্তিত । ছেলেরা মেয়েদের মতো ডায়েট না করলেও নিজেদের বডি নিয়েও এতই চিন্তিত থাকেন যেম রীতি মতো সালমান-হৃত্বিককে ফলো করা শুরু করে।
২. ছেলেরা মানসিক ভাবেই প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে উঠে: সামান্য বিষয় নিয়ে প্রতিযোগী মনোভাব এবং জিততেই হবে এই ধরণের ব্যাপারটি ছেলেদের মধ্যে আপনাআপনিই তৈরি হয়ে যায়। বলা হয়, ছেলেরা জন্মগত ভাবেই প্রতিযোগী ও জেতার মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকেন।
৩. শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণ ছেলেদের মনে ভালোবাসার সৃষ্টি করে না: অনেকেই মনে করেন, ছেলেরা শুধুমাত্র মেয়েদের শারীরিক বিষয়ে আকর্ষণ বোধ করলেই তাকে ভালোবেসে ফেলেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ সাধারণভাবে এবং স্বাভাবিক ছেলেরা কখনই ভালোবাসার জন্য শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণকে প্রাধান্য দেন না। তারা সমঝোতা, তাকে বুঝতে পারা এবং বাস্তবের সাথে মিলিত সকল বিষয় বিবেচনা করে ভালোবাসেন।
৪. ছেলেরা আত্মসম্মানকে ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন: ভালোবাসার মূল্য ছেলেদের কাছে রয়েছে কিন্তু তারা ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন আত্মসম্মানকে। ছেলেরা সবসময়েই নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। তাদের মাপকাঠিতে সম্মান ভালোবাসার চাইতেও উপরে থাকে। এই কারণে অনেক সময় ভুল বুঝাবুঝি হলেও তারা এভাবেই চিন্তা করেন।
৫. ছেলেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন: সাধারণত আমরা জানি, মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ছেলেদের কাছে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে ছেলেরা একেবারেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না। নিজেদের একটু অসহায়ভাবে ছেলেরাও খুঁজে পান। আর তখনই ছেলেরা মেয়েদের কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজে থাকেন। তবে সেটা সাধারণত শারিরীক নয় মানুষিক শক্তি।
৬. ছেলেরা রোমান্স পছন্দ করলেও তারা তা প্রকাশ করতে ভয় পান: ছেলেরা খুব রোম্যান্টিক হয়ে থাকেন। কিন্তু তা সবসময় সঠিক ভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা দ্বিধায় থাকেন ‘যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, কিংবা তিনি যদি কিছু ভুল করে ফেলেন অথবা তাকে নিয়ে যদি সঙ্গী মজা করেন’।
৭. ছেলেরা শোনা কথায় কান দেওয়ার চেয়ে, চোখে দেখায় বিশ্বাসী হয়ে থাকেন: মেয়েরা একটু কথায় বেশি বিশ্বাসী হলেও ছেলেরা এই কাজটি একটু কমই করেন। ছেলেরা নিজের চোখে না দেখা পর্যন্ত কোনো কথা বিশ্বাস করতে চান না। তাই আপনি বলে বলে বিরক্ত না হয়ে তাকে সত্য দেখানোর চেষ্টা করুন, দেখবেন তিনি ঠিকই বিশ্বাস করে নিয়েছেন।
৮. ছেলেরা সবসময়েই নিজের ভালোবাসার মানুষটির সামনে দুর্বল: ছেলেরা উপরে যতোই শক্ত থাকুন না কেন তিনি তার ভালোবাসার মানুষটির সামনে অনেক বেশি দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলেন। হয়তো তিনি চান তার এই দুর্বল দিকটি শুধুমাত্র তার মনের মানুষটিই দেখুন।

হয়ত অনেকেই মনে করতে পারেন আমি একজন ছেলে হিসেবে ছেলেদের পক্ষ্যে বলে গেলাম। কিন্তু এটাই বাস্তবতা, প্রত্যেকটি ছেলেই মুখে বললেও বাস্তবে বুকে হাত রেখে এই কথা গুলি শিখার করবেন। এবং মেয়েরাও যদি একটু গভীরে গিয়ে বিষয়টি চিন্তু করেন তাহলে দেখবেন এই কথা গুলোর মিল খুজে পাবেন।

দাড়িওয়ালা সেই মেয়েটির অজানা গল্প

ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা জিতে নিয়ে সাড়া জাগিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে ‘ড্র্যাগ কুইন’ কনচিটা ভুয়র্স্ট সংগীত জগতের তারকা। সম্প্রতি আত্মজীবনী লিখেছেন দাড়িওয়ালা ‘মেয়েটি’। চলছে নতুন অ্যালবামের কাজ। তাঁকে নিয়েই আজকের আয়োজন।
কনচিটার গল্প
বয়স ২৬। এই বয়সেই সাফল্যের অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন কনচিটা ভুয়র্স্ট, অর্থাৎ টোমাস নয়ভিয়র্ট। হ্যাঁ, গত বছর কনচিটা ভুয়র্স্ট নামে ইউরোভিশন জিতে বিশ্বব্যাপী তারকাখ্যাতি অর্জন করলেও অস্ট্রীয় এই শিল্পীর নাম আসলে টোমাস নয়ভিয়র্ট। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ইউরোভিশন ২০১৪-য় বাজিমাত করেছিলেন দাড়িওয়ালা মেয়ের চরিত্র কনচিটা ভুয়র্স্ট সেজে গান গেয়ে।
সবসময়ই আলাদা…
শৈশব থেকেই সংগীত ভালোবাসেন টোমাস নয়ভিয়র্ট। সমকামী হওয়ায় অস্ট্রিয়ার মতো দেশেও অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ফ্যাশন ডিজাইনিংও টানতো তাঁকে। তাই ১৪ বছর বয়সেই জন্মস্থান গ্মুন্ডেন ছেড়ে চলে যান গ্রাৎস-এ, শুরু করেন ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে পড়াশোনা।



তারকা হওয়ার পথে প্রথম পা
সংগীত চর্চা কিন্তু কখনো থামেনি। এক সময় তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে একটা ব্যান্ড গড়লেন। ব্যান্ডের নাম দিলেন ‘ইয়েৎস্ট আন্ডার্স’। নামের অর্থ ‘এখন অন্যরকম’। এই ব্যান্ড ২০০৬ সালে অস্ট্রিয়ার বেশ বড় একটা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল। তবে ব্যান্ডের নাম ‘এখন অন্যরকম’ হলেও টোমাস নয়ভিয়র্ট গড়পড়তা মানুষের চেয়ে কত অন্যরকম, আর দশটা মানুষের তুলনায় কত বেশি প্রতিভাবান তা বুঝতে আরো সময় লেগেছে।

কনচিটার জন্ম
ফ্যাশন স্কুলের লেখাপড়া শেষ হতেই শুরু হলো ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা। মাথায় আসে কাল্পনিক চরিত্র কনচিটা ভুয়র্স্ট। তাঁর লম্বা চুল, মেয়েলি চেহারা আর সেই সঙ্গে মুখভরা দাড়ি! এভাবে ড্র্যাগ কুইন সেজে সংগীত শিল্পী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করলেন টোমাস নয়ভিয়র্ট। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
ফিনিক্স পাখির মতো….
২০১৪ সালের ইউরোভিশন সং কনটেস্টে অস্ট্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন কনচিটা ভুয়র্স্ট। ডেনমার্কের রাজধানী হয়ে সারা ইউরোপ কাঁপিয়ে দিলেন ‘রাইজ লাইক আ ফিনিক্স’ গানটা গেয়ে। জিতে গেলেন ইউরোভিশন। সত্যিই পুরানের ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান, কী বলেন?
মহাব্যস্ততা…
ইউরোভিশন জয়ের পর থেকে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটছে কনচিটার। একটা কনসার্ট শেষ হলেই আসে আরেকটার ডাক। প্যারিসের বিখ্যাত ‘ক্রেজি হর্স ক্যাবারে’-তে (ওপরের ছবি) পারফর্ম করেছেন। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টেও ডাক পড়েছিল তাঁর। সেখানে অবশ্য গান শোনাননি, সবাইকে যৌন সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন।

আসছে নতুন অ্যালবাম
টোমাস নয়ভিয়র্টের কনচিটা ভুয়র্স্ট হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে ১২৮ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীটা ইতিমধ্যে বাজারে এসেছে। শিগগিরই প্রকাশ করা হবে তাঁর নতুন গান ‘ইউ আর আনস্টপেবল’। পাশাপাশি চলছে নতুন অ্যালবামের কাজ। এছাড়া কনসার্ট তো চলছেই। এ বছর জার্মানিতেও আসবেন কনচিটা ভুয়র্স্ট।-ডয়েচ ভেল।

Thursday, March 5, 2015

বারবার কম্পিউটার রিস্টার্ট হলে যা করবেন

মাঝে মাঝে আপনার কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হয়ে যায়। ডিসপ্লে আসতে বিঘ্ন ঘটায় কিংবা ডিসপ্লে অন করতে দেয় না। 

এই সমস্যাটির সঙ্গে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। এ রকম হলে যা আমাদের করতে হবে; প্রথমে দেখতে হবে যে র‌্যাম শ্লটটি তে র‌্যাম ঠিক ভাবে আছে কিনা?

যদি সেটিও ঠিক থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটি ভাইরাস এর কারণে হয়েছে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন ফাইল কপি করি মূলত সেই সকল ফাইল থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে যায় কম্পিটারে। 

এই জন্য একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাস ইন্সটল করতে হবে। তারপর অ্যান্টি-ভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভটি স্ক্যান করে নিতে হবে। যদি অ্যান্টি-ভাইরাসটিও ইন্সটল না করতে দেয় তাহলে কম্পিউটারটিতে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম দিতে হবে। এরপর দেখবেন আপনার কম্পিউটারটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে।

রাজার কবর খুঁড়ে রহস্যময়ী নারীর সন্ধান!

ইংল্যান্ডের তৃতীয় রাজা রিচার্ডের কবর খুঁড়ে তার পাশেই প্রত্নতত্ত্ববিদরা এক নারীর কবর খুঁজে পেয়েছেন। এ ঘটনায় অবাক না হওয়ার কিছু নেই। রাজার কবরের পাশে কিভাবে এবং কারা দিল এই কবর? আর এই নারীই বা কে এ প্রশ্ন তো থেকেই যায়।

পরে হাড়গোড় পরীক্ষা করে দেখা গেছে কবরে যিনি শায়িত ছিলেন তিনি একজন বয়স্ক নারী। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের কোনো এক সময় তাকে কবর দেয়া হয়েছে।
 
গবেষকদের ধারনা, এই নারী ছিলেন উচ্চ মর্যাদার কেউ। কিন্তু রাজার বংশ পরিচয় বিশ্লেষণ করে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। কারণ রাজা তৃতীয় রিচার্ড ১৪৮৩ সাল থেকে ১৪৮৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড শাসন করেছেন। তাকে গ্রে ফ্রায়ার্স আশ্রমে তড়িঘড়ি করে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। 

১৬শ' শতাব্দীতে আশ্রমটি ধ্বংস করা হয়। পরে সেটি কালের গহ্বরে হারিয়ে যায়। ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি অব লিচেস্টারের গবেষকরা এটির অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর একটি পার্কিং স্থানের নিচে খুঁড়ে রাজার কবর এবং আশ্রমটির আরো মূল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায়। তবে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ওই নারীর কবরটি।