মানুষ নয়, বিড়ালই সেখানে রাজা। তারাই রাজত্ব করছে, তারাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সেদেশে ৬টি বিড়াল পিছু একজন মানুষ।
অর্থাৎ সেখানে মানুষের মোট সংখ্যা ২২ আর বিড়াল প্রায় ১২০। দক্ষিণ জাপানের এক প্রত্যেন্ত দ্বীপের চিত্র এটা।
গল্পটা শুরু হয় বেশ কয়েকবছর আগে। জাপানের একটি দ্বীপ আওশিমা। ওই দ্বীপে মৎস্যজীবীদের নৌকার উপর অত্যাচার চালাত কিছু ইঁদুর।
তাদের শায়েস্তা করতেই দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এই বিড়ালদের। ইঁদুর তো দূর করেই ছেড়েছে। পাশাপাশি, সেখানেই ঘাঁটি গেড়ে বসেছে তারা। ১২০টি বিড়াল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, আর সঙ্গী গুটিকয়েক মানুষ। বেশরভাগই কাজ থেকে অবসরপ্রাপ্ত।
এছাড়া দ্বীপের অন্যান্য মানুষ কাজের সন্ধানে দ্বীপের বাইরে। ১৯৪৫ সালে এই দ্বীপে মানুষের সংখ্যা ছিল ৯০০। এখন বেশির ভাগ মানুষ নৌকায় চেপে 'ক্যাট আইল্যান্ড' পরিদর্শনে যায়। এই দ্বীপে না আছে খাবারের দোকান, না আছে গাড়ি। কিন্তু তবুও বিড়ালপ্রেমীরা একবার ঘুরে আসে এখানে।
এখানকার বিড়ালদের চাহিদাও খুবই কম। পর্যটকরাই তাদের নানারকম খাবার দিয়ে থাকে। তাতেই তারা খুশি।
অর্থাৎ সেখানে মানুষের মোট সংখ্যা ২২ আর বিড়াল প্রায় ১২০। দক্ষিণ জাপানের এক প্রত্যেন্ত দ্বীপের চিত্র এটা।
গল্পটা শুরু হয় বেশ কয়েকবছর আগে। জাপানের একটি দ্বীপ আওশিমা। ওই দ্বীপে মৎস্যজীবীদের নৌকার উপর অত্যাচার চালাত কিছু ইঁদুর।
তাদের শায়েস্তা করতেই দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এই বিড়ালদের। ইঁদুর তো দূর করেই ছেড়েছে। পাশাপাশি, সেখানেই ঘাঁটি গেড়ে বসেছে তারা। ১২০টি বিড়াল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, আর সঙ্গী গুটিকয়েক মানুষ। বেশরভাগই কাজ থেকে অবসরপ্রাপ্ত।
এছাড়া দ্বীপের অন্যান্য মানুষ কাজের সন্ধানে দ্বীপের বাইরে। ১৯৪৫ সালে এই দ্বীপে মানুষের সংখ্যা ছিল ৯০০। এখন বেশির ভাগ মানুষ নৌকায় চেপে 'ক্যাট আইল্যান্ড' পরিদর্শনে যায়। এই দ্বীপে না আছে খাবারের দোকান, না আছে গাড়ি। কিন্তু তবুও বিড়ালপ্রেমীরা একবার ঘুরে আসে এখানে।
এখানকার বিড়ালদের চাহিদাও খুবই কম। পর্যটকরাই তাদের নানারকম খাবার দিয়ে থাকে। তাতেই তারা খুশি।

No comments:
Post a Comment
thank for that.........